নেপাল-তিব্বত সীমান্তে আকস্মিক বন্যায় ১৭ জনের মৃত্যু

Facebook
Twitter
LinkedIn
WhatsApp
Email

অনলাইন ডেস্ক:- নেপাল-তিব্বত সীমান্তে ভয়াবহ আকস্মিক বন্যা ও ভূমিধসে অন্তত ১৭ জনের মৃত্যু হয়েছে।

বন্যার পানির তোড়ে কয়েকটি গ্রাম ভেসে গেছে এবং সড়কসহ বিভিন্ন অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

বুধবার (২৬ আগস্ট) ভোরে নেপালের রাজধানী কাঠমান্ডুর ঠিক উত্তরে রাসুয়া এলাকায় বন্যাটি আঘাত হানে। অতিরিক্ত তুষার গলে ভোতে কোশি নদীর পানির উচ্চতা বেড়ে যাওয়ায় এ বন্যার সৃষ্টি হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

তিব্বত ও নেপাল সীমান্তের উভয় পাশে উদ্ধার অভিযান চলছে। এখন পর্যন্ত ১২ জনকে উদ্ধার করা হয়েছে।

তিব্বতের নিয়ন্ত্রণকারী চীনের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম জানিয়েছে, এতে ব্যাপক প্রাণহানি হয়েছে। নেপালের কর্মকর্তারাও ‘বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি’র আশঙ্কা করছেন।

নেপাল পুলিশের মুখপাত্র অভি নারায়ণ কাফলে জানিয়েছেন, উদ্ধার তৎপরতায় দেশটির সব নিরাপত্তা সংস্থা একসঙ্গে কাজ করছে।

ভিডিওতে দেখা গেছে, বন্যার পানি প্রবল স্রোতে গ্রামগুলোর মধ্য দিয়ে ধেয়ে যাচ্ছে।

তিব্বত থেকে নেপালে প্রবাহিত ভোতে কোশি নদীর ভাটির দিকের বেশ কয়েকটি এলাকায় সর্বোচ্চ সতর্কতা জারি করা হয়েছে। এ অঞ্চলে সড়ক যোগাযোগ, টেলিযোগাযোগ ও বিদ্যুৎ সরবরাহ ব্যাহত হয়েছে। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, কাঠমান্ডুর সঙ্গে সংযোগকারী প্রধান সড়কটি বন্ধ রয়েছে।

কাঠমান্ডুভিত্তিক চীনা ব্যবসায়ী ইয়ে লিয়াং বলেন, ‘আমাদের লজিস্টিকস কোম্পানির সাতটি কনটেইনার ট্রাক সেখানে রয়েছে, যেগুলোতে নেপালি কর্মীরা কাজ করেন।

আমরা তাদের সবার সঙ্গে যোগাযোগ হারিয়েছি। কোনো সিগন্যাল নেই, তাই কারও সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারছি না।