এক গ্রাম সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামও ইরান থেকে সরানো হবে না: রেজায়ি

Facebook
Twitter
LinkedIn
WhatsApp
Email

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:- ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসযুদ্ধ এবং ইয়েমেনের সাম্প্রতিক উত্তেজনা নিয়ে আলোচনার জন্য পাকিস্তানের সেনাপ্রধান আসিম মুনির বুধবার তেহরানে ছিলেন।

এমন এক পরিস্থিতিতে এই সফর হলো, যখন অঞ্চলটিতে নতুন করে সংঘাত ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

তা সত্ত্বেও, তেহরান তার অবস্থানে অনড় রয়েছে যে যুক্তরাষ্ট্র তাদের শর্ত মেনে না নেয়া পর্যন্ত যুদ্ধের অবসান হবে না এবং হরমুজ প্রণালি পুনরায় খুলে দেয়া হবে না।

ইরান তার বিতর্কিত পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে কঠোর অবস্থান বজায় রেখেছে। ২৮ ফেব্রুয়ারি যুদ্ধ শুরু করার বিষয়ে ট্রাম্প প্রশাসনের সিদ্ধান্তের পেছনে এই কর্মসূচিও একটি কারণ ছিল।রায়েলের যুদ্ধের অবসান ঘটাতে কূটনৈতিক সমঝোতার আশায় সাম্প্রতিক দিনগুলোতে মধ্যপ্রাচ্যে ব্যাপক কূটনৈতিক তৎপরতা চলছে।মঙ্গলবার গভীর রাতে মুনিরের সঙ্গে বৈঠকের পর ইরানের সুপ্রিম ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিলের সচিব মোহসেন রেজায়ি বলেন, “এক গ্রাম সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামও ইরান থেকে সরানো হবে না।”

 

তবে আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকদের তত্ত্বাবধানে দেশের ভেতরেই উচ্চমাত্রায় সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামের সমৃদ্ধকরণের মাত্রা কমিয়ে আনার সম্ভাবনা তিনি নাকচ করেননি। এর আগে ইরান এমন প্রস্তাব দিয়েছিল।

ইরানের কর্তৃপক্ষ কয়েক দশক ধরে চলে আসা পারমাণবিক কর্মসূচিকে দেশটির সার্বভৌম অধিকার এবং হামলা, অন্তর্ঘাত ও হত্যাকাণ্ড সত্ত্বেও অর্জিত একটি সাফল্য হিসেবে তুলে ধরে আসছে। মঙ্গলবার রেজায়ি এটিকে “জাতীয় সম্পদ” বলে বর্ণনা করেন।ইরান কমমাত্রায় সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম বেসামরিক কাজেও ব্যবহার করেছে। এর মধ্যে রয়েছে রেডিওফার্মাসিউটিক্যালস উৎপাদন এবং রাশিয়ার সহযোগিতায় বুশেহর বিদ্যুৎকেন্দ্রে বিদ্যুৎ উৎপাদন।

ইরানের কর্তৃপক্ষের যুক্তি, সামরিক চাপের মুখে পারমাণবিক কর্মসূচি সমর্পণ করা আত্মসমর্পণের শামিল হবে—বিশেষ করে যদি এর ফলে ইরান ভবিষ্যতে আরও হামলার ঝুঁকির মুখে পড়বে না, এমন কোনো নিশ্চয়তা না পাওয়া যায়।